নাটোরের গুরুদাসপুরে শ্রমিকের মজুরি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সালিশি বৈঠকে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বেড়গঙ্গারামপুর এলাকায় এবং বিকেল ৩টার দিকে গুরুদাসপুর উপজেলা কেন্দ্রীয় প্রেসক্লাবে পৃথক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়।

বেড়গঙ্গারামপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাবিল শেখ ও সাইফুল ইসলাম অভিযোগ করেন, শ্রমিকের মজুরি নিয়ে বিরোধ মীমাংসার জন্য স্থানীয়ভাবে সালিশি বৈঠক বসানো হয়। বৈঠকে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে তারা দাবি করেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

অন্যদিকে, একই ঘটনায় উপজেলা কেন্দ্রীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে জহুরুল ইসলাম অপর পক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন। তিনিও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে উভয় পক্ষের আত্মীয়-স্বজন উপস্থিত ছিলেন।

এ ঘটনায় থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে মো. জিহাদ হোসেন দাবি করেন, সালিশি বৈঠকের সময় তার বাবা মো. ছাইফুল প্রামাণিকের ওপর হামলা করা হয়। এতে তিনি আহত হন এবং পরে তাকে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

তবে ঘটনার বিষয়ে উভয় পক্ষের বক্তব্যে পরস্পরবিরোধী অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাই প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি করা হয়েছে।